• শনি. এপ্রি ৪, ২০২৬

নিরাপত্তা বিধি মেনে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ক্রিকেট ম্যাচের অনুমতি: উপ-মুখ্যমন্ত্রী শিভকুমার

Bywebinfoadmin

ডিসে ১৯, ২০২৫

কর্ণাটক, ১২ ডিসেম্বর — কর্ণাটকের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডি.কে. শিভকুমার ঘোষণা করেছেন যে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের পর বেঙ্গালুরুর এম. চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে পুনরায় ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বেলগাভির সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমরা নিরাপত্তাকে মাথায় রেখে এবং বেঙ্গালুরুর সুনাম বজায় রাখতে স্টেডিয়ামে ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজনের অনুমতি দিয়েছি।

তিনি আরও জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি. পরমেশ্বরাকে পুরো ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং কর্ণাটক স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি ভেঙ্কটেশ প্রসাদ ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সব সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে।

শিভকুমার জানান, বেঙ্গালুরুর ভাবমূর্তি অটুট রাখতে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রোধ করতেই এই সিদ্ধান্ত।

সূত্রের বরাতে জানা গেছে, কর্ণাটক মন্ত্রিসভা বৃহস্পতিবার রাতে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ২০২৬ আইপিএলসহ সকল আসন্ন ম্যাচ আয়োজনের অনুমোদন দিয়েছে।

বেলগাভিতে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে মাইকেল ডি কুনহা কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়ন এবং স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়। কেএসসিএ ও স্বরাষ্ট্রদপ্তর যৌথভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি বৈঠকে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নির্ধারণ হবে।

এই সিদ্ধান্ত আসে গত জুলাইয়ে আরসিবির জয় উদ্‌যাপনকে কেন্দ্র করে পদদলিত হয়ে ১১ জন দর্শকের মৃত্যুর পর স্টেডিয়ামে ম্যাচ স্থগিত থাকার প্রেক্ষাপটে। নিরাপত্তাজনিত কারণে এক মহিলাদের বিশ্বকাপ ম্যাচও এখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। ৪ জুন ঘটে যাওয়া ওই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকে স্টেডিয়ামে আর কোনো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি।

নবনির্বাচিত সভাপতি ও প্রাক্তন ভারতীয় পেসার ভেঙ্কটেশ প্রসাদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা বেলগাভিতে শিভকুমারের সঙ্গে বৈঠক করার পরই এ ঘোষণা আসে। তারা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করে ম্যাচ পুনরায় শুরু করার আবেদন জানিয়েছিলেন।

এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার শিবির আয়োজিত এক ডিনারের পাল্টা হিসেবে শিভকুমারের উপস্থিতি নিয়ে তৈরি হওয়া জল্পনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, স্থানীয় মানুষ ও কংগ্রেস পরিবারের সদস্যরা ভালোবেসে আমন্ত্রণ জানান—এটা কোনো আনুষ্ঠানিক ভোজ নয়। ভালোবাসার আমন্ত্রণ ফিরিয়ে দেওয়া যায় না।

রাজ্য কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্বে থাকা শিভকুমার জানান, তিনি ও অন্যান্য নেতারা প্রায়ই স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় কর্মীদের পরিবার থেকে এই ধরনের আমন্ত্রণ পান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Home
এক নজরে
রাশিফল
টেন্ডার
ভিডিও